Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > লেখা > ভারতের টেলিকম স্থাপনা পরিদর্শনে সংসদীয় কমিটি
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মো: মিজানুর রহমান
মোট লেখা:৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১২ - ফেব্রুয়ারী
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
টেলিকম-বিপ্লব
তথ্যসূত্র:
রির্পোট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
রেটিং: ০ মন্তব্য:০
ভারতের টেলিকম স্থাপনা পরিদর্শনে সংসদীয় কমিটি
(নয়াদিল্লী থেকে ফিরে)

গত ১৬-২০ জানুয়ারি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লিতে কিছু টেলিকম স্থাপনা পরিদর্শন করে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, মো: মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি, মো: গোলাম মোস্তফা এমপি, সভাপতির একান্ত সচিব মো: মিজানুর রহমানসহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (বিতর্ক সম্পাদনা ও প্রকাশনা) মো: কামরুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক (রিপোর্টিং) মো: এনামুল হক।



সফরকালে ১৭ জানুয়ারি ভারতের মানবসম্পদ এবং যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী কপিল সিবালের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোসহ দুই দেশের মধ্যেকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, ভারতের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ. করিমসহ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুযায়ী নিচে উল্লিখিত বিষয়ে ভারতের মন্ত্রী সম্মতি প্রকাশ করেন।

০১.
বাংলাদেশ ও ভারত থেকে ৩ জন করে মোট ৬ সদস্যের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা। এ ওয়ার্কিং গ্রুপ কারিগরি ও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্র চিহ্নিত করে রোডম্যাপ প্রণয়ন করে নিয়মিত পর্যায়ক্রমে উভয় দেশে বৈঠকের আয়োজন করবে।

০২.
ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন ৬ (IPv6), গ্রিন আইসিটি, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ই-পোস্ট সেন্টার স্থাপন, সাইবার ক্রাইম দূর করা, স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ফর এশিয়া, এশিয়ান টেরিস্ট্রিয়াল ইনফরমেশন হাইওয়ে গঠন ইত্যাদি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত পারস্পরিক আলোচনা, প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময়ের ওপর জোর দেয়া।

০৩.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার টেলিফোন ট্যারিফ চার্জ কমানোর বিষয়ে জরুরিভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া।

০৪.
দুই দেশের টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ, বিটিসিএল এবং ভারতের এমটিএনএল ও বিএসএনএলের মধ্যকার সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা।

প্রতিনিধি দল পর্যায়ক্রমে ভারতের স্বতন্ত্র টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ (TRAI), রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার মহানগর টেলিকম নিগম লিমিটেড (MTNL), ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL), টেলিকমিউনিকেশনস ও নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি প্রস্ত্ততকারী স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব টেলিমেট্রিক্স (C-DOT), গ্রিন টেকনোলজির সলিউশন প্রোভাইডার ভিএনএল কার্যালয় পরিদর্শনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করে।

ভারতের টেলিকমের উন্নয়ন

ভারতের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিপার্টমেন্ট অব পোস্ট, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম, ডিপার্টমেন্ট অব আইটি, টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া, টেলিকম ডিসপুটস সেটেলমেন্ট ও অ্যাপিলেট ট্রাইবুন্যাল রয়েছে। ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী নিচে ভারতের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার ক্রমোন্নয়ন উল্লেখ করা হলো :

১৯৯৪ : জাতীয় টেলিকম পলিসি-১৯৯৪ ঘোষণা;

১৯৯৭ : টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া গঠিত;

১৯৯৯ : মে মাসে জাতীয় টেলিকম পলিসি-১৯৯৯ ঘোষণা;

১৯৯৯ : আগস্টে লাইসেন্স ফি কমিয়ে ১৫% থেকে ১২%, ১০% এবং ৮% করা হয় সার্কেলভিত্তিক;

২০০০ : টেলিকম রেগুলেটরি অ্যাক্ট সংশোধন এবং আলাদা ট্রাইবুন্যাল ঘোষণা;

২০০১ : জানুয়ারিতে টেলিকম ডিসপুটস সেটেলমেন্ট অ্যান্ড অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুন্যাল (TDSAT)-এর কার্যক্রম শুরু। সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে ট্রাইব্যুনালের প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান; সিডিএমএ স্পেকট্রামকে বেসিক সার্ভিস পরিচালনার অনুমতি দান;

২০০২ : অক্টোবরে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডকে জিএসএম সেলুলার পরিচালনার অনুমতি দান। ইনকামিং কলচার্জ ফ্রি করা হয়;

২০০৩ : নভেম্বর বেসিক ও সেলুলার সিরিজে ‘ইউনিফাইড অ্যাক্সেস সার্ভিস লাইসেন্স (ইউএএসএল) চালু;

২০০৪ : অক্টোবরে ব্রডব্যান্ড পলিসি ঘোষণা;

২০০৫ : নভেম্বরে আইএলডি ও এনএলডি বার্ষিক লাইসেন্স ফি ১৫% থেকে ৬% কমানো হয়;

২০০৭ : অক্টোবরে ডুয়াল প্রযুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়;

২০০৮ : ফেব্রুয়ারিতে ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম কর্তৃক ১২০টি নতুন ইউএএসএল লাইসেন্স ২৩টি লাইসেন্সড সার্ভিস এরিয়ায় দেয়া হয়। ১৫টি সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে সব স্থানে টেলিকম দেয়া হয়;

২০০৮ : আগস্টে থ্রিজির স্পেকট্রাম বরাদ্দের নিলাম এবং মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি লাইসেন্স ইস্যুর গাইডলাইন ঘোষণা;

২০১০ : জুনে থ্রিজির স্পেকট্রাম এবং সার্ভিস নিলামে ঘোষিত;

২০১০ : ডিসেম্বরে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি তথা এমএনপি চালু;

২০১১ : অক্টোবরে খসড়া টেলিকম পলিসি-২০১১ প্রকাশ।

১৩০ কোটির বেশি জনগোষ্ঠীর দেশ ভারতে বর্তমানে ফিক্সড ও মোবাইল টেলিফোনের গ্রাহক রয়েছে প্রায় ৯১ কোটি ৭০ লাখ। শহরাঞ্চলে টেলিঘনত্ব ৩৭% এবং গ্রামাঞ্চলে ১৬৬%। সার্বিক টেলিঘনত্ব হচ্ছে ৭৬.২% (৩০ নভেম্বর ২০১১-এর হিসাব অনুযায়ী)। ভারত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল গ্রাহক রাষ্ট্র। প্রতিমাসে ৮০-৯০ লাখ নতুন গ্রাহক যোগ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত মোবাইল গ্রাহকসংখ্যা বাড়ছে। ফিক্সড লাইনের গ্রাহক সংখ্যা কমছে। ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ব্রডব্যান্ড গ্রাহক রয়েছে।

ভারতের টেলিযোগাযোগ খাতে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে : সরকারি পর্যায়ে এমটিএনএল (শুধু মুম্বাই ও দিল্লি শহরে), বিএসএনএল (মুম্বাই ও দিল্লি ছাড়া অন্যান্য শহর)। বেসরকারি পর্যায়ে রয়েছে : এয়ারটেল, রিলায়েন্স, ভোডাফোন, টাটাটেল, আইডিয়া, সিস্টেমা, ভিডিওকন, এয়ারসেল, এটিসল্ট। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত ওয়্যারলেস সেগমেন্টে বিনিয়োগ করছে। যার পরিমাণ ২০০৩ (২০.৯%) থেকে নভেম্বর ২০১১ (৮৬%) বেড়েছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারেরা মূলত ডিএসএল, ক্যাবল মডেম, ইথারনেট, ল্যান, ফাইবার, রেডিও, লিজেড লাইনের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড সেবা দিয়ে থাকে।

ভবিষ্যৎ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে

ভারতের গ্রামাঞ্চলে মোবাইল সেবা ২০১৭ সালের মধ্যে ৬০% এবং ২০২০ সালের মধ্যে ১০০% পূর্ণ করা; ২০১৭ সালের মধ্যে ব্রডব্যান্ড সংযোগ সাড়ে ১৭ কোটিতে উন্নীত করা; ২০১৪ সালের মধ্যে সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড কভারেজ দান করা; জাতীয় পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন সম্পন্ন করা; টেলিকম যন্ত্রপাতি প্রস্ত্ততকারী হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা।

টিআরএআই

একটি স্বতন্ত্র রেগুলেটরি সংস্থা হিসেবে ‘টিআরএআই অ্যাক্ট, ১৯৯৭’ দিয়ে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া গঠিত হয়। একজন চেয়ারম্যান, দু’জন পূর্ণকালীন সদস্য ও দু’জন খন্ডকালীন সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সুপারিশকারক ও নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করে থাকে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানটি মূলত নতুন সার্ভিস প্রোভাইডার, লাইসেন্স দেয়ার শর্ত, প্রতিযোগিতা, কারিগরি উন্নয়ন, স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা, লাইসেন্স কমপ্লায়েনস, ইন্টারকানেকশনস, ট্যারিফ ইত্যাদি বিষয়ে ভারতের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। টিআরএআই জাতীয় পর্যায়ে ইউনিফাইড লাইসেন্স দেয়ার জন্য ২০ কোটি রুপি দেয়ার প্রস্তাব করেছে। এ বিষয়ে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত চাওয়া হয়েছে।

পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর স্বার্থে টিআরএআই কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের তথা বিটিআরসি’র সাথে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা যায়।

মহানগর টেলিকম নিগম লিমিটেড

রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার মহানগর টেলিকম নিগম লিমিটেড তথা এমটিএনএল ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত মুম্বাই ও দিল্লিতে ফিক্সড ও মোবাইল এবং ব্রডব্যান্ড সেবা দিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত। অথরাইজড মূলধন ৮০০ কোটি রুপি। পরিশোধিত মূলধন ৬৩০ কোটি রুপি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন।

গ্রাহক পর্যায়ে ফিক্সড লাইনে ৫৪.৫৪ লাখ, মোবাইলে ৭১.৪২ লাখ ও ব্রডব্যান্ডে ১৬.২৮ লাখ রয়েছে।

ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড

সরকারি মালিকানাধীন ভারতীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড তথা বিএসএনএল প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০০ সালে। দিল্লি ও মুম্বাই শহর ছাড়া অন্যান্য ২০টি LSA-তে মূলত ফিক্সড, মোবাইল, ইন্টারনেট, ব্রডব্যান্ড সার্ভিসসহ প্রিপেইড কলিং কার্ড ও IPTv সেবা দিয়ে থাকে। গ্রাহক সংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজারের মধ্যে ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক রয়েগ্রন ৮৭ লাখ ১০ হাজার। কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা ২,৭১,৬৯৭ জন। প্রতিষ্ঠানটি টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রিন টেকনোলজি প্রয়োগের বিষয়ে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। বিএসএনএল সর্বোচ্চ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান।

সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব টেলিমেট্রিক্স

ভারতের টেলিকমিউনিকেশনস ও নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি প্রস্ত্ততকারী গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব টেলিমেট্রিক্স তথা C-DOT ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের প্রযুক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ৮৫০ জনবলের মধ্যে বেশিরভাগই প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী। দিল্লি ও ব্যাঙ্গালোরে দুটি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য প্রস্ত্তত করা হয়।

C-DOts GPON-এর মাধ্যমে ভিওআইপি, আইপিটিভি, ইন্টারনেট, লিজড লাইন, ওয়্যারলেস ব্যাক হাউল ফর থ্রিজি সার্ভিস পাওয়া যাবে। এর জন্য কোনো শীতাতপ যন্ত্রের প্রয়োজন হবে না। ১৯৯২-১৯৯৬ সময়ে বাংলাদেশের জন্য 6RU-10, 10 Channel UHF Radio Equipment C-DOT থেকে তৈরি করে সরবরাহ করা হয় বলে জানা যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য C-DOT কর্তৃপক্ষ ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো ও সেবা দিতে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য সফটওয়্যার উৎপাদনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।

ভিএনএল নেটওয়ার্কস লিমিটেড

মূলত জিএসএম ও ওয়াইফাইয়ে গ্রিন টেকনোলজির জন্য সলিউশন প্রোভাইডার প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪৫০ জন কর্মকর্তার এই প্রতিষ্ঠানটি গুরগানে অবস্থিত। বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের সাথে ব্যবসায় করে আসা এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত টেলিকম সার্ভিস, জিএসএম নেটওয়ার্কিং ও সিকিউরিটি, ভিস্যাট সার্ভিস, ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড সার্ভিস দিয়ে থাকে। এদের সেবাগ্রহীতার মধ্যে রয়েছে নোকিয়া, সিস্টেম, অ্যালকাটেল-লুসেন্ট, হুয়াওই, এরিকসন ও জেটটিই। প্রতিষ্ঠানটি টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টিএসএস) লিমিটেডের সাথে বিটিএস নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা যায়।

ভারতের টেলিযোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বাংলাদেশের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দলের বৈঠক, পারস্পরিক আলোচনা, প্রস্তাব ও সহযোগিতার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সবার প্রত্যাশা।

ভারতের টেলিকমিউনিকেশনস ও নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি প্রস্ত্ততকারী গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব টেলিমেট্রিক্স তথা C-DOT ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের প্রযুক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ৮৫০ জনবলের মধ্যে বেশিরভাগই প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী। দিল্লি ও ব্যাঙ্গালোরে দুটি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য প্রস্ত্তত করা হয়।
কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : mizan_010168@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও