• ভাষা:
  • English
  • বাংলা


নিবন্ধিত হলে :
০১. সব লেখা পড়তে ও ডাউনলোড করতে পারবেন।
০২. আপনি নিজের লেখা পোস্ট করতে পারবেন।
০৩. ক্যুইজ ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।
০৪.আইসিটি-বিষয়ক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ও নতুন পণ্যের বিবরণ তুলে ধরতে পারবেন।
ইউজার ইমেইল:
পাসওয়ার্ড:
 
পাসওয়ার্ড মনে রেখো
নোটিস বোর্ড

জরিপ
 
সরকার ভূমি-ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা কতখানি সফল হবে?
Yes
No
ভোট দিয়েছেন ২ জন
 
ইভেন্ট টাইপ:
ধরন:
| ভাল লাগেনি:
| ভাল লেগেছে:
৩৫০
| হিটস্:
| রেটিং:
| মন্তব্য:
টেসট ইভেন্ট
জীবনদার মুখ দিয়ে কোন কথায় বের হচ্ছেনা। আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। উনার তীক্ষ্নদৃষ্টি আমার চোখও নামাতে দিলোনা। মনে হচ্ছে উনার চোখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে পড়বে এখনি। মনে পড়ে গেলো জীবনদা মারা গেছে একবছর হয়ে গেছে। ক্যান্সার হয়েছিলো। উনি যে রাতে মারা যায় সেদিন ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি ছিলো। ঝড়ের তীব্রতা একটু কমলে তারাতারি করে তাকে দাহ করতে নিয়ে যায়।

এই এলাকায় একটা রেওয়াজ বহুলভাবে প্রচলিত ছিলো যে কেউ মারা গেলে চিহ্নিত কিছু ব্যাক্তি ছিলো যারা সবসময় লাশের সৎকারে উপস্থিত থাকে। জীবনদার সৎকারেও তারা ছিলো। দাহ করার সময় জীবনদার দুই ছেলেও ছিলো। দাহ করার অর্ধেক সময়ে ঝড়ের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। ফলে জীবনদার অর্ধমৃত লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিয়ে সবাই চলে আসে। এর পর থেকেই নাকি প্রায়ই জীবনদাকে দেখা যায়। গভীর রাতে কেউ যদি একলা বের হয় তখনি নাকি জীবনদা বের হয়ে আসে এবং তার সাথে চলতে বলে।

বুঝতে পারলাম আমিও এখন সেই মুহুর্ত্তে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুটা কি অপ্রস্তুত, ইতস্তত বোধ করছি। বার বার চেষ্টা করেও কন্ঠ দিয়ে কোন স্বর বের হচ্ছিলোনা। গাঁয়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে কন্ঠের সমস্ত তীব্রতায় ডাকলাম জীবনদা........। এইবার জীবনদা চিৎকার করে উঠলো। খুব কঠিন এবং রুক্ষ স্বরে বলে উঠলো আমার সাথে চলো। বলতে বলতে জীবনদা হাঁটতে লাগলো। আমিও পিছু পিছু হাঁটতে লাগলাম। প্রতিটা নিঃশ্বাস যেনো প্রতিধ্বনি হয়ে আমার কানে এসে লাগছে। চারদিকের আবহাওয়া যেনো এক ঝাপটায় ভেপসা গরম হয়ে গেলো। বুঝতে পারলাম গায়ের শার্ট টি ভিজে যাচ্ছে। কখন যে বাজার পার হয়ে চড়ে চলে আসলাম বুঝতে পারলামনা। মোটামুটি নিশ্চিত বুঝতে পারলাম আমাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মনে হচ্ছে আর বুঝি ফিরে আসা হবেনা।

নাকের মাঝে ধূপের গন্ধ এসে লাগলো। পুরা কাঠের গন্ধের তীব্রতাও বেশ ঝাঁঝালো। ঠিক শশানঘাট টার মাঝখানে এসে জীবনদা থামলো। বেশ অন্ধকার চারদিক। জীবনদার চেহাড়াটা স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছেনা। জীবনদা ডাক দিলো কইরে তোরা?



মন্তব্য

শুরুর তারিখ:

০২ আগস্ট ২০০৯, ৬:০০ AM

শেষ সময়:

১০ আগস্ট ২০০৯, ৭:০০ AM

ঠিকানা:

আইডিবি ভবন

ইভেন্ট টাইপ

Workshop

ওয়েবের ঠিকানা:

www.yunuscse.com

যোগাযোগের ঠিকানা:

ইউনুস আলী খান ঢাকা

মুখ্য ব্যক্তি

ইউনুস আলী খান
ঢাকা

কী-ওয়ার্ড:

ইভেন্ট

ভিডিও ফিড: