লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম:
এম. এ. হক অনু
লেখা সম্পর্কিত
ইন্টারনেটের বিকাশ অব্যাহত রাখতে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন- ইনু
- এম. এ. হক অনু, টোকিও, জাপান
এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম (এপিআরআইজিএফ) ২০১২ সম্মেলন আজ (২০ জুলাই) শেষ হলো। আজ সম্মেলনে ৮টি বিষয়ের উপর আলোচনা হয়। সকালে অনুষ্ঠিত হয় ক্রিটিক্যাল ইন্টারনেট রিসোর্চ: আইপিভি৪/৬ উপর সেশন। কফি ব্রেকের পর অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক পলিশি এন্ড ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ইস্যু Pertaining টু দ্য ইন্টারনেট সেশন। উক্ত সেশনের সঞ্চালক ছিলেন কনজ্যুমার্স ইন্টারন্যাশনালের জেরিমি মালকল্ম (Jeremy Malcolm)। স্পিকার ছিলেন, বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু, গেস্নাবাল আইসিটি strategy বুরোর ডাইরেক্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিশি কওডিনেটর Atsushi Umino, ভারতের সেন্টার ফর ইন্টারনেট এন্ড সোসাইটির সুনিল আবরাহাম এবং ইন্টারনেট নিউজিল্যান্ডের ইন্টারন্যাশনাল ডাইরেক্টর Keith Davidson।
হাসানুল হক ইনু বলেন, আইকানের মতো গড়ে উঠা সংস্থা একটা দেশের (ইউএস) নিয়ন্ত্রনে থাকাটা আত্মঘাতিক। তাই ইন্টারনেট বিকাশে গড়ে উঠা সবরকম সংস্থা, বেসরকারী সংস্থা, সরকার ও আত্মদেশীয় সংস্থা কারো অধীনস্ত্ম করার প্রচেষ্টা ইন্টারনেট শিল্পকে স্তদ্ধ করে দিবে। বরং তা সরকার এবং বেসরকারী উদ্যোগে যৌথভাবে করা উচিত। তাতেই ইন্টারনেট সহজলভ্যতা পাবে। সেই সাথে ব্যক্তি ও সরকারের নিরাপত্তার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য নির্ধারণ করা উচিত।
মধ্যহ্নভোজের পর একই সময় তিনটি কক্ষে তিনটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিষয় তিনটি হচ্ছে, প্রটেকশন অফ চিলড্রেন ফরম সাইবারক্রাইমস অন দ্যা ইন্টারনেট, সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেজ্ঞেস এন্ড সলিউশন ফর এশিয়া এবং সিভিল সোসাইটি ইন ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স/পলিশিমেকিং।