Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > আইটি খবর > বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা ২০১২ শুরু
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ রিপোর্টার
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১২-১০-১০
রেটিং: ০ মন্তব্য:
বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা ২০১২ শুরু
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে (০৯ অক্টোবর ২০১২) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম-জিমনেসিয়ামে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী কুমিল্লার সর্ববৃহৎ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির মেলা ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা ২০১২’। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কুমিল্লা শাখার আয়োজনে এবং আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহযোগিতায় ০৯-১৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এ প্রদর্শনী। জিমনেসিয়ামস্থ ক্যাপসিকামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক জনাব মো: রেজাউল আহসান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মো: রেজাউল আহসান বলেন সমগ্র বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে আমাদের দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন সর্বত্র ডিজিটাল আবহ তৈরী হচ্ছে। কুমিল্লায় তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে এ ধরনের বিশেষায়িত আয়োজন সত্যিই অনুপ্রেরণার। সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে তথা ডিজিটাল বাংলাদেশেরই একটি মঞ্চায়ন হচ্ছে এই প্রদর্শনী। তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষ করে তরুণ শিক্ষার্থী যারা প্রযুক্তির ঘনিষ্ঠতাকে উপভোগ করেন তাদের জন্য বিশেষ একটি উপলক্ষ বয়ে আনবে। সরকারি সেবাসমূহকে ডিজিটালাইজড করে জনগণের সাথে সেবাবান্ধব সংযোগ স্থাপনে কাজ করছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। কুমিল্লার জনমানুষকে আরও বেশি করে তথ্যপ্রযুক্তি সচেতন করে তুলতে বিসিএস-কুমিল্লা শাখার এই আয়োজন নি:সন্দেহে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, কুমিল্লা শাখার সেক্রেটারী জনাব মু. মজিবুর রহমান মুকুলের পরিচালনায় এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, কুমিল্লার শাখার চেয়ারম্যান এবং প্রদর্শনীর আহ্বায়ক জনাব নজরুল আমিন মোল্লার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি জনাব মো: ফয়েজউল্যাহ খান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক এবং সাবেক সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার। বিসিএস এর সভাপতি জনাব মো: ফয়েজউল্যাহ খান বলেন, বিসিএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিসিএস নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারের সাথে সহযোগী হিসেবেও এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। কুমিল্লায় সে ধরনেরই একটি পদক্ষেপ। এই প্রযুক্তি প্রর্দশনী কুমিল্লাবাসীদের প্রযুক্তির হালনাগাদ সংস্করণের সাথে পরিচিত করে তুলবে। জনাব মোস্থাফা জব্বার বলেন, বিসিএস দেশে সর্বপ্রথম তথ্যপ্রযুক্তির প্রর্দশনীর সূচনার পাশাপাশি প্রদর্শনীগুলোকে ঢাকার বাইরে বিস্তৃত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরউ ধারাবাহিকতায় কুমিল্লায় এ আয়োজন। এ আয়োজন এখানকার প্রযুক্তিপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে তিনি কার বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রদর্শনীর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক জনাব মজিবুর রহমান স্বপন, সমিতির মহাসচিব জনাব মো: শাহিদ-উল-মুনীর, প্রদর্শনীর প্লাটিনাম স্পন্সর প্রতিনিধি কম্পিউটার সোর্স লিমিটেডের পরিচালক জনাব মুখলেসুর রহমান বাদল এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, কুমিল্লা শাখা কমিটির সেক্রেটারী জনাব মু.মজিবুর রহমান মুকুল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি জনাব মো: মঈনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জনাব মো: জাবেদুর রহমান শাহীন, কুমিল্লা শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিসিএসের বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই মেলা সকলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর এ সময়ে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত হয় বিভিন্ন বয়সের মানুষের পদচারণায়। প্রর্দশনীতে পণ্য প্রদর্শন ছাড়াও রয়েছে সেমিনার, আলোচনা সভা, কুইজ, ফ্রি ইন্টারনেট জোন, ফ্রি গেমিং জোনসহ নানা আয়োজন। প্রায় ১০,০০০ বর্গফুট স্থান জুড়ে ৩২টি স্টল ও ৬ট প্যাভেলিয়নে ২৭টি প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্রযুক্তি সামগ্রী প্রদর্শন করবে।
প্রর্দশনীতে তথ্যপ্রযুক্তির দেশী-বিদেশী জনপ্রিয় ও সুপরিচিত ব্র্যান্ড, আমদানিকারক, প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার পণ্যসামগ্রী, নেটওয়ার্ক ও ড্যাটা কমিউনিকেশন, টেলিকম সেবা ও পণ্যসামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া, আইসিটি শিক্ষা উপকরণ, ল্যাপটপ, ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক প্রযুক্তি ও পণ্য ইত্যাদির উন্নত ও হালনাগাদ সংস্করণ প্রদর্শন করবে। প্রদর্শনীতে প্রতিদিনই নানা আয়োজন ছাড়াও থাকবে কুইজ, আলোচন সভা। প্রদর্শনীর ৪র্থ দিন ১২ অক্টোবর রয়েছে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং শীর্ষক সেমিনার।
মেলার প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। বিসিএস এর ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ‘বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো কুমিল্লা ২০১২’- এর প্রদর্শনীতেও স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানো সাপেক্ষে বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও মেলার বিক্রিত টিকেট নিয়ে সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হবে র‌্যাফেল ড্র। আর এতে থাকবে বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার। এছাড়া প্রদর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়োজনে মেলায় থাকবে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিশেষায়িত প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতা।
মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে থাকছে ফুজিতসু, মাইক্রোল্যাব এবং নরটন; গোল্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি:, সেইফ আইটি সার্ভিসেস লি: এবং ইউনাইটেড কম্পিউটার সেন্টার, সিলভার স্পন্সর হিসেবে থাকছে হিটাচি। টিকেট স্পন্সর আইটি প্যালেস, টিকেট কাউন্টার স্পন্সর ক্যাসপারষ্কি ল্যাব এবং সমাপনী অনুষ্ঠান স্পন্সর হিসেবে থাকছে বিজনেসল্যান্ড লি:।
প্রর্দশনী প্রাঙ্গনে বিসিএস এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এখান থেকে যে কোন রকমের তথ্য ও সেবা নিতে পারবেন যে কেউ। এ ছাড়াও মেলায় আগত দর্শনার্থী, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের যে কোন ধরনের সহায়তার জন্য একটি বিশেষ টিম মেলা প্রাঙ্গনে নিয়োজিত থাকবে। মেলায় সাধারণ নিরাপত্তা, লোকচলাচল নিয়ন্ত্রণ, পণ্য বিক্রি এবং টিকেট চেকিং এর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দল সব সময় কাজ করবে।
খবরের ছবিগুলো
সর্বশেষ খবর