কমপিউটার জগৎ রিপোর্ট -
দেশে ল্যাপটপ ব্যবহারের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় তিনদিনব্যাপী জুম ল্যাপটপ ফেয়ার ২০০৯। ফেয়ারের টাইটেল স্পন্সর ছিল প্যাসিফিক বাংলাদেশের (সিটিসেল) জুম। মেকার কমিউনিকেশন আয়োজিত জুম ল্যাপটপ ফেয়ার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল ফারুক খান। তিনি বলেন, ল্যাপটপ ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোনো জায়গাতেই যেকোনো ব্যক্তি তার প্রয়োজনীয় কাজসমূহ করতে সক্ষম হয়। উন্নত প্রযুক্তির বিস্তার বাংলাদেশে যত বেশি হবে ততই ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথে আমরা এগিয়ে যেতে সক্ষম হব। জুম ল্যাপটপ ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে স্বল্প খরচে ল্যাপটপ কেনার সুবিধা থাকায় দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীসহ সবাই উপকৃত হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো: কামরুল ইসলাম, সিটিসেলের সিইও মাইকেল সীমোর এবং বাংলাদেশ কমপিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তাফা জববার।
মেলায় ১০টি প্যাভিলিয়ন এবং ৬টি স্টলের মাধ্যমে কম্প্যাক, এপল, হাসি, ফুজিৎসু, ডেল, এইচপি, গিগাবাইট, আসুস, লেনোভো, তোশিবা, এসার, গ্রেট ওয়াল এবং বেনকিউসহ সর্বোচ্চসংখ্যক ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ প্রদর্শন করা হয়। মেলার ৩ দিনে বিপুল দর্শক সমাগম এবং বিক্রির পরিমাণ অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে।
কমপিউটার সোর্স ফুজিৎসু এবং এইচপি ল্যাপটপ, গ্লোবাল ব্র্যান্ড আসুস ও ডেলের ল্যাপটপ, ইটিএল এসারের নোটবুক, স্মার্ট এইচপি, এসার ও গিগাবাইটের ল্যাপটপ প্রদর্শন করে। ৫০ হাজার টাকার কম দামের ল্যাপটপের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ লক্ষ করা যায়। গ্লোবাল ব্র্যান্ডের ২৪ হাজার টাকার ইইই পিসি সবার দৃষ্টি কাড়ে। সিটিসেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দেয় আকর্ষণীয় অফার, মূল্যছাড় ও উপহার। মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল কমপিউটার সোর্স, স্মার্ট টেকনোলজিস, এক্সিকিউটিভ টেকনোলজিস, গ্লোবাল ব্র্যান্ড, রিশিত কমপিউটার, আইওএম, ফ্লোরা লিমিটেড, এভার মার্চ বাংলাদেশ, সান কমপিউটারস, মিরাকম টেকনোলজিস, কমট্রেড, টেকনো এজ এবং অ্যাডভেন্ট টেকনোলজিস।
মেলার প্রায় ৮০ হাজার দর্শক সমাগম ঘটে এবং তিন দিনে বিক্রি হয় ২০০০ ল্যাপটপ।